home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

রোজায় ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের ৫ উপায়
০৭ জুন, ১৭
  Viewed#:   1980

 ramadan-dates

পবিত্র মাস রমজানের রোজা রাখার পূর্বে ও ইফতারের পরে সুষম খাদ্য খাওয়া এবং হাইড্রেটেড থাকা প্রয়োজন। তাহলেই আপনি সারাদিনে কর্মশক্তি পাবেন। রোজা ভাঙার পরে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ, শরীরের কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য। রোজার রাখার পূর্বে অর্থাৎ  সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ডিহাইড্রেশন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং এর ফলে মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, অলসতা এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন। কিন্তু অন্য আরো কিছু বিষয় থাকে যা হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে। রোজার সময়  ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে সাহায্য করবে এমন কিছু উপায় জেনে নিই চলুন।

# ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন
চা বা কফি আমাদের পছন্দের পানীয় হলেও এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে। ক্যাফেইন এর ডিইউরেটিক প্রভাব আছে বলে প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে শরীর থেকে লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। অনেকবেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তৃষ্ণা বৃদ্ধি পায়, তাই সারাদিনে হাইড্রেটেড থাকার জন্য চা বা কফির পরিবর্তে পানি পান করুন। ইফতারের শুরুতেই ১ গ্লাস বিশুদ্ধ পানির সাথে খেজুর এর মত মিষ্টি ফল খান।

সবজি ও ফল দিয়ে রোজা ভাঙুন
ফল ও সবজি খাওয়া শুধু আপনার স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো নয় বরং আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতেও সাহায্য করে। নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজিতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর পানি থাকে বলে সারাদিন রোজা রাখার পর আপনার শরীরকে সতেজ ও পুনর্জীবিত হতে সাহায্য করে। এই সময়ে যে ফল ও সবজিগুলো আপনি খেতে পারেন তা হল – তরমুজ, শসা, সেলেরি, টমেটো এবং কামরাঙ্গা। এগুলো আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। যদি এগুলো শুধু শুধু খেতে না পারেন তাহলে সালাদ তৈরি করে অন্য খাবারের সাথে খান।

মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার আপনার শরীরের পানির চাহিদা বৃদ্ধি করবে। তাই যতোটা সম্ভব কম খেতে চেষ্টা করুন এই ধরনের খাবার। রান্নার সময় অনেকবেশি লবণ ও মসলা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

 একবারে বেশি পানি পান করা এড়িয়ে চলুন
একবারে বেশি পানি পান করলে খুব তাড়াতাড়ি তা শরীর থেকে বের হয়ে যাবে। তাই রোজা না রাখার সময়ে অর্থাৎ রাতে চুমুক দিয়ে দিয়ে অল্প অল্প করে পানি পান করা ভালো। তবে এ কারণে যেন কম পানি পান করা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখুন। ডিহাইড্রেশন এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।

 তাপ এড়িয়ে চলুন
আমাদের এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে তাপ এড়িয়ে চলা অসম্ভব। তারপর ও যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ঘাম হয় বেশি, ফলে শরীরের তরলের মাত্রা কমে যায়। বাইরে কম সময় কাটাতে চেষ্টা করুন, ছায়ায় বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় থাকার চেষ্টা করুন।


সূত্র: দ্যা স্টার

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রোজায় বদ হজমের সমস্যা এড়াতে কিছু টিপস
Previous Health Tips: গরমে ত্বক সুস্থ রাখবেন যে ১০ উপায়ে

আরও স্বাস্থ্য টিপ

রোজায় কী খাবেন আর কী খাবেন না

রমজান মাসে সবাই খাবারের প্রতিযোগিতা নেমে পড়ে। কে কত খেতে বা রান্না করতে পারে। কিন্তু এসব ভাজা-পোড়া, গুরুপাক খাবার খেয়ে কী হতে পারে, তা কি জানি? সারা দিন রোজা রেখে পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। তারপর যদি এত রকম গুরুপাক খাবার একসঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে কী অবস্থা হবে? পেটের সমস্যা,... আরও দেখুন

রোজায় বদ হজমের সমস্যা এড়াতে কিছু টিপস

পরিপূর্ণ পরিপাক ছাড়া স্বাস্থ্য ভালো হয় না। আমাদের পরিপাক নালী ইমিউন সিস্টেমেরও একটি বড় অংশ। আমরা কী ধরণের খাবার পছন্দ করছি, কত দ্রুত খাচ্ছি এবং ভালোভাবে চিবিয়ে খাচ্ছি কিনা সে ব্যাপারে অমনোযোগী থাকার কারণে রোজায় পরিপাকের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিপাকের সমস্যার কারণে আপনার রোজার যেন কোন... আরও দেখুন

গরমে ত্বক সুস্থ রাখবেন যে ১০ উপায়ে

এ সময়টা প্রচণ্ড গরম। আর এই গরমে শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, চাই ত্বকের যত্নও। গরমের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকতে গরমে চাই ত্বকের বাড়তি যত্ন। চলুন জেনে নেয়া যাক এই গরমে ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখার কিছু টিপস। # মুখের যত্ন: গরমের সময়টাতে... আরও দেখুন

ইফতারের জন্য ৫ স্বাস্থ্যকর জুস

বিভিন্ন দেশের রোজার সময়ে পার্থক্য দেখা যায়। আমাদের দেশে এবার রোজার সময় ১৫ ঘন্টা। গরমে এত দীর্ঘ সময় পানি পান করা ছাড়া থাকলে শরীরের উপর প্রভাব পরে। ফলে ইফতারের সময় প্রচণ্ড তৃষ্ণা অনুভব করেন আপনি। তাই ইফতারে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি আপনাকে সতেজতা দিতে পারে এমন পানীয় পান করা উচিৎ আপনার। চলুন... আরও দেখুন

অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করার ঘরোয়া ৭ উপায়

রোজার সময় যেসকল শারীরিক সমস্যা বেশি দেখা দেয় তার মধ্যে অ্যাসিডিটি অন্যতম। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্টিকের সমস্যা রয়েছে তাদেরকে এই সমস্যার সম্মুখিন হতে হয় অনেক বেশি। এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই ওষুধের দ্বারস্থ হোন।... আরও দেখুন

শিশুর রোগ প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি খান

গর্ভাবস্থায় সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি গ্রহণ নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অ্যাজমা ও শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে শিশুকে এই ভিটামিন ডি রক্ষা করে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গবেষণায়... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')