home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

একদম রোগা আপনি? তাহলে জেনে নিন ওজন "বৃদ্ধি" করার ৬টি উপায়
০৮ জুন, ১৪
Tagged In:  weight gain  reduce weight  
  Viewed#:   202298   Favorites#:   2

weight-increaseআমরা সবাই ওজন কমানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু কখনও খেয়ালও থাকে না যে এই পৃথিবীতে এমনও কিছু মানুষ আছে যারা ওজন বাড়ানোর জন্য খুব আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। অনেকেই আছেন যাদের একটুখানি খেলেও যেন ওজন বাড়ে। আবার এমন অনেকেই আছেন যারা শতগুণ খেলেও তাদের ওজনের খুব একটা হেরফের হয় না, রোগা-পটকাই থেকে যান। আন্ডার-ওয়েট শরীর হলে অবশ্য চেষ্টা ভালো লাগে না, চেহারা ভেঙে যায়। মেয়েদের শরীর যেমন এতে ঠিকভাবে বেড়ে ওঠে না, তেমনই ছেলেদের দেখতেও ভীষণ বাজে লাগে।


এমতাবস্থায় ওজন বাড়ানোর জন্য বেশি কিছু নয় শুধু নিয়ম করে কিছু খাওয়া প্রয়োজন যেন খাবারটি আপনার শরীরে ঠিকমত লাগে। আসুন জেনে নিই এমন ৬ টি উপায়।

১. স্বাস্থ্যকর খাবার খান :
আপনি হয়ত প্রচুর পরিমাণে খাচ্ছেন তারপরও আপনার স্বাস্থ্য ঠিকমত বাড়ছে না। তার কারণ হল আপনি খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক নিয়ম করে সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন না। খালি পেট ভরে এটা সেটা খেলেই হবে না। খেটে হবে উপযুক্ত খাবারটি। আপনার শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন, কার্বন এবং ফ্যাট এর প্রয়োজন হয় প্রতিদিন। এর জন্য প্রতিদিন বাদাম এবং দুগ্ধজাত খাবার খান। প্রোটিনযুক্ত খাবার পেশী গঠনে সহায়তা করে। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে মাংস গ্রহণ করুন। রোজ খান ডিম, পনির ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাত-রুটি-আলু। ওজন বাড়াতে চাইলে বসা ভাত খেলেই উপকার পাবেন। কেননা এটা থাকে প্রচুর ক্যালোরি। মিষ্টি খান রোজ।

২. বেশি পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন :
একটু পর পর তরল জাতীয় খাবারে ক্ষুধা দ্রুত তৈরি করে। এজন্য আপনি ক্ষুধা তৈরি করার জন্য একটু পর পর তরল জাতীয় যেকোনো খাবার খেতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন ভারী খাবার খাওয়ার আগে এবং খাবারের মাঝখানে কখনই পানি খাওয়া ভালো না। এতে করে খাবার মাঝখানে পানি ক্ষুধাটাকে নিবারণ করে। ফলে ভারী খাবার খাওয়ার রুচি থাকে না।

৩. ঘন ঘন খান :
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দিনে ৫ থেকে ৭ বার পরিমিত পরিমাণে খাবার খান। অামরা সচরাচর ৩ বার খেয়ে থাকি। আপনি দিনে ৬ বার খান কিন্তু পরিমাণটি নির্দিষ্ট করে। এতে করে আপনার খেতে কোনো সমস্যা হবে না। কলা, আম ইত্যাদি ফল বেশি পরিমাণে খাবেন। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবারও গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে। তাই ভাজা বাদ দিয়ে বাদাম, পরিমিত মিষ্টি, ঘরে তৈরি নানান খাবার খান।

৪. সঠিক নিয়মে খান :
আপনি খাবার খাচ্ছেন কিন্তু কোনো নিয়ম মেনে খাচ্ছেন না এতে করে আপনার কোনো কাজই হবে না। আপনার ওজন কোনোভাবেই বাড়বে না। আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দিনের একটি বড় তালিকা তৈরি করুন ও সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে। মোটামুটিভাবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি ইতিবাচক ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত ঘুমাবেন।

৫. শারীরিক ব্যায়াম :
অবাক হচ্ছেন? ভাবছনে আপনি রোগা মানুষ আপনার আবার ব্যায়াম কি? তাহলে জেনে রাখুন, কিছু বিশেষ ব্যায়াম শরীরের পেশী তৈরি করে ও ওজন বাড়ায়। তাছাড়া ক্ষুধার উদ্রেকও করে। জিমে যাওয়া শুরু করুন নিয়মিত, ট্রেইনারের কথা মেনে চলুন। চমৎকার শরীর তৈরি হবে।আবার আপনি যদি শুধু ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েই যান আর কোনো ধরনের ব্যায়াম না করেন তাহলে আপনার শরীরের কিছু অংশে অতিরিক্ত মেদ দেখা দেবে যেমন তলপেটসহ অন্যান্য অংশে কিন্তু আপনার ওজন বাড়াতে খুব একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে না। এজন্য যতটা সম্ভব শারীরিক ব্যায়াম করুন। এতে করে দেহের অতিরিক্ত মেদ নিঃসরণ করে একটা ভালো ওজন পেতে পারেন।

৬. ধূমপান থেকে বিরত থাকুন :
ধূমপান একজন মানুষকে শারীরিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। স্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করে থাকে। এজন্য দেখা গেল যে স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য আপনি যতটা প্রয়োজন নিয়ম করে খাবার গ্রহণ করলেন কিন্তু পাশাপাশি ধূমপান চালিয়ে গেলেন। এতে করে আপনার কোনো ধরনের ইতিবাচক ফলাফল আসবে না। এর জন্য আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন আর ওজন বাড়াতে চান তাহলে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন।

সূত্র - প্রিয়.কম 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ছোট্ট কিছু পরিবর্তন আপনাকে করে তুলবে সবার চোখে “অসাধারণ”
Previous Health Tips: পিপঁড়া তাড়ানোর ৮টি দারুণ কার্যকরী উপায়

আরও স্বাস্থ্য টিপ

রোজায় কী খাবেন আর কী খাবেন না

রমজান মাসে সবাই খাবারের প্রতিযোগিতা নেমে পড়ে। কে কত খেতে বা রান্না করতে পারে। কিন্তু এসব ভাজা-পোড়া, গুরুপাক খাবার খেয়ে কী হতে পারে, তা কি জানি? সারা দিন রোজা রেখে পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। তারপর যদি এত রকম গুরুপাক খাবার একসঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে কী অবস্থা হবে? পেটের সমস্যা,... আরও দেখুন

রোজায় বদ হজমের সমস্যা এড়াতে কিছু টিপস

পরিপূর্ণ পরিপাক ছাড়া স্বাস্থ্য ভালো হয় না। আমাদের পরিপাক নালী ইমিউন সিস্টেমেরও একটি বড় অংশ। আমরা কী ধরণের খাবার পছন্দ করছি, কত দ্রুত খাচ্ছি এবং ভালোভাবে চিবিয়ে খাচ্ছি কিনা সে ব্যাপারে অমনোযোগী থাকার কারণে রোজায় পরিপাকের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিপাকের সমস্যার কারণে আপনার রোজার যেন কোন... আরও দেখুন

রোজায় ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের ৫ উপায়

  পবিত্র মাস রমজানের রোজা রাখার পূর্বে ও ইফতারের পরে সুষম খাদ্য খাওয়া এবং হাইড্রেটেড থাকা প্রয়োজন। তাহলেই আপনি সারাদিনে কর্মশক্তি পাবেন। রোজা ভাঙার পরে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ, শরীরের কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য। রোজার রাখার পূর্বে অর্থাৎ  সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান না করলে... আরও দেখুন

গরমে ত্বক সুস্থ রাখবেন যে ১০ উপায়ে

এ সময়টা প্রচণ্ড গরম। আর এই গরমে শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, চাই ত্বকের যত্নও। গরমের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকতে গরমে চাই ত্বকের বাড়তি যত্ন। চলুন জেনে নেয়া যাক এই গরমে ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখার কিছু টিপস। # মুখের যত্ন: গরমের সময়টাতে... আরও দেখুন

ইফতারের জন্য ৫ স্বাস্থ্যকর জুস

বিভিন্ন দেশের রোজার সময়ে পার্থক্য দেখা যায়। আমাদের দেশে এবার রোজার সময় ১৫ ঘন্টা। গরমে এত দীর্ঘ সময় পানি পান করা ছাড়া থাকলে শরীরের উপর প্রভাব পরে। ফলে ইফতারের সময় প্রচণ্ড তৃষ্ণা অনুভব করেন আপনি। তাই ইফতারে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি আপনাকে সতেজতা দিতে পারে এমন পানীয় পান করা উচিৎ আপনার। চলুন... আরও দেখুন

অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করার ঘরোয়া ৭ উপায়

রোজার সময় যেসকল শারীরিক সমস্যা বেশি দেখা দেয় তার মধ্যে অ্যাসিডিটি অন্যতম। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্টিকের সমস্যা রয়েছে তাদেরকে এই সমস্যার সম্মুখিন হতে হয় অনেক বেশি। এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই ওষুধের দ্বারস্থ হোন।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')